মার্কিন পরিকল্পনা হলো ওবামা নেতানিয়াহু ও আব্বাসকে জানিয়ে দেবেন যে শান্তির বন্দোবস্তের জন্য এটাই শেষ সময়
যুক্তরাষ্ট্র এক বছরের মধ্যে দুই শত্রুর মধ্যে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হতে দেখতে চায়
এবারের আলোচ্য বিষয় ছিল অবৈধ ইহুদি বসতি নির্মাণ পূর্ব জেরুজালেমের ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিনি উদ্বাস্তুদের প্রত্যাবাসন এবং ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের সীমান্ত চূড়ান্তকরণ
নেতানিয়াহু ও আব্বাসকে অভ্যর্থনা করেছেন যিনি তিনি আর পরিবর্তনের ধ্বজাধারী নন
কায়রোয় মুসলমানদের উদ্দেশে বক্তৃতা দিয়ে তিনি সাড়া তুলেছিলেন এবং শত বছর ধরে চলা মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের ন্যায্য মীমাংসার মঞ্চ তৈরির ভার দিয়েছিলেন জর্জ মিটসেলের ওপর
সেই ওবামার বর্তমান রাজনৈতিক হাল শোচনীয়
অর্থনীতির মন্দা আরও গভীর হচ্ছে
মধ্যবর্তী নির্বাচনে তাঁর দল সম্ভবত কংগ্রেসের দুটি কক্ষ না হলেও অন্তত একটি হারাতে যাচ্ছে
ইসরায়েল লবিও ভালো করেই জানে ওবামার ডেমোক্রেটিক পার্টির ইহুদি অর্থ ও ভোট খুবই প্রয়োজন
ইসরায়েলের স্বার্থ বিষয়ে মার্কিন কংগ্রেস সর্বদাই ওই লবির আদেশে চলে
পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন নেতানিয়াহুকে যেসব প্রশংসাসূচক সম্ভাষণ করেছেন তাতে মনে হয় ভবিষ্যতে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পাওয়ার জন্য ইসরায়েল লবির কাছে চাঁদার জন্য তদবির করছেন
অথচ চার মাস আগে এ মার্কিন প্রশাসনই ইসরায়েলের অবৈধ ইহুদি বসতি স্থাপনের সমালোচনা করেছিল মার্কিন উপরাষ্ট্রপতি বাইডেনও তেল আবিবকে জানিয়ে দিয়েছিলেন ইসরায়েলের একগুঁয়েমিপনার জন্য ওই অঞ্চলে মার্কিন নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে
নেতানিয়াহুকে সেসব কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়ার কথা এবার কেউ ভাবল না
ইসরায়েল লবিও পাল্টা আঘাত করেছিল
জুলাই মাসে ওয়াশিংটন পোস্ট-এ ডানা মিলবানকে লেখেন ব্লেয়ার হাউসে প্রেসিডেন্টের অতিথি ভবন নীল-সাদা ইসরায়েলি পতাকা ঝুলছে
হোয়াইট হাউসে তারা ও ডোরা-আঁকা মার্কিন পতাকা যেখানে থাকার কথা সেখানেই আছে
কিন্তু প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ওবামার সঙ্গে বৈঠকের সত্যিকার তাৎপর্য বোঝাতে হোয়াইট হাউস কর্মকর্তাদের উচিত ছিল সেখানে আত্মসমর্পণের সাদা পতাকা ঝোলানো
এবং এ ত্রিপক্ষীয় সম্মেলনে ওবামা সত্যি সত্যিই ফিলিস্তিনি ভূমিতে অবৈধ ইসরায়েলি বসতি স্থাপন বিষয়ে আগে বলা বন্ধ করা শব্দের জায়গায় বিরত থাকা শব্দ ব্যবহার করেছেন
নেতানিয়াহুর মুখপত্র গণমাধ্যমে বলেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী খুশি
কারণ তাঁর কথামতো আলোচনা নিঃশর্তভাবেই হয়েছে
মাহমুদ আব্বাস এর আগে শান্তি আলোচনার আগে শর্ত হিসেবে অবৈধ বসতি স্থাপন বন্ধ করার দাবি করেছিলেন
নেতানিয়াহু এ দাবি প্রত্যাখ্যান করেন
তিনি সংবাদপত্রে বলেছেন আমি ইংরেজি বুঝি— আর  দুটি ভিন্ন শব্দ
তাহলে বাকি রইল আলোচনার অন্য দুটি বিষয় জেরুজালেমকে ফিলিস্তিনের রাজধানী করা এবং ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের প্রত্যাবর্তন
নেতানিয়াহু স্পষ্টভাবে এসব বিষয়ে আলোচনায় আপত্তি জানান
তিন নেতার করমর্দনের কয়েক ঘণ্টা আগে ইসরায়েলের ইহুদি বসতকারেরা বলেছে ২৬ সেপ্টেম্বর সরকারি নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হওয়া মাত্রই তারা নতুন আরও ৮০টি বসতিতে ভবন নির্মাণ শুরু করবে
আজকের ইসরায়েলি রাজনীতি সরাসরি বসতি স্থাপন বন্ধ কিংবা সীমান্ত নির্ধারণে ছাড় দেওয়ার বিষয়ে একদম কঠোর
ইতিমধ্যে ফিলিস্তিনকে টুকরা টুকরা করে দেয়াল ও হাইওয়ে দিয়ে ঘিরে ফেলা সারা
ছিন্নবিচ্ছিন্ন ফিলিস্তিনের বিভিন্ন অংশের মধ্যে যোগাযোগের পথগুলো ইসরায়েলিদের কঠোর নিয়ন্ত্রণে
সব চেক পয়েন্ট আসলে ফিলিস্তিনিদের হয়রানির কেন্দ্র
আর যে পূর্ব জেরুজালেমকে ফিলিস্তিনের সম্ভাব্য রাজধানী করার কথা সেটি অব্যাহত বসতি স্থাপনে বেদখল হওয়ার পথে
ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আভিগদর লিবারম্যান সম্মেলনে থাকতে রাজি হননি
তিনি চান নেতানিয়াহু সরাসরি ওবামাকে বলে দিন যেকোনো বাধানিষেধ না মেনে ফিলিস্তিনি ভূমিতে বসতি স্থাপন অব্যাহতই থাকবে
এদিকে শান্তি আলোচনার অপর পক্ষ আব্বাস নিজেই আর ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট নন
তাঁর পক্ষে ফিলিস্তিনি জনগণের থেকে কোনো গণতান্ত্রিক সমর্থন নেই
নির্বাচনে আব্বাসের দল পরাজিত হয়েছে এবং জয়ী হয়েছে হামাস
অথচ হামাস নেতৃত্বাধীন সরকারকে উচ্ছেদ করে আমেরিকা ও ইসরায়েল আব্বাসকে ক্ষমতায় বসিয়ে রেখেছে অর্থ আর গায়ের জোরে
চার ইসরায়েলি বসতকারীকে হত্যার মাধ্যমে শান্তি আলোচনা বিষয়ে হামাস তার প্রতিক্রিয়া জানিয়ে দিয়েছে
বসতি স্থাপনে বর্তমান নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ফুরানো মাত্রই ইসরায়েল আবার ঘরবাড়ি বানানো শুরু করবে
এবং তখন প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আব্বাসকেও শান্তি আলোচনা থেকে সরে আসতে হবে
ফলে আগের সব শান্তি উদ্যোগের মতোই এ শান্তি আলোচনাও ভেস্তে যাবে
তাহলে কেন ওবামা এমন উদ্যোগ নিতে গেলেন এ বিষয়ে ব্লানকফোর্ট লিখেছেন নিক্সনের সময় থেকে যে যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট কৌশলগত কারণে ইসরায়েলি দখলদারির অবসানের চেষ্টা করেছেন তাঁদের সবাই-ই প্রথমে যুক্তরাষ্ট্রের ইসরায়েলি লবির বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন কিন্তু পরিণামে সবাই ইসরায়েলি চাপের কাছে নতি স্বীকার করেছেন
নিজেদের রাজনৈতিক পুঁজি ব্যবহারে তাঁরা ব্যর্থ অথবা অনিচ্ছুক হয়েছেন
প্রতিবারই কংগ্রেস ইসরায়েলের পক্ষে দাঁড়িয়েছে ওবামার সময়েও তাই দাঁড়াবে
যে তিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইসরায়েলকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন ফোর্ড কার্টার ও সিনিয়র বুশ তাঁরা তিনজনই বাধ্য হয়েছেন পিছু হটতে এবং নির্বাচনে হয়েছেন পরাজিত
এসব জেনেও ওবামা কেন এ পথে পা বাড়ালেন ধারণা করা হয় যে আমেরিকার ইউরোপীয় মিত্রদের থেকে এবার চাপ ছিল
ব্লানকফোর্ট লিখেছেন ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাত ইউরোপীয় সমাজগুলোর নিরাপত্তায় গোলমাল লাগিয়ে দিয়েছে যেটা মার্কিন সমাজে হয়নি
ইউরোপীয় ইউনিয়ন বহুদিন থেকেই নিজস্ব শান্তি উদ্যোগ শুরু করতে চাইছে
তার আগে তারা চায় আমেরিকা মাঠ ছেড়ে দিক
ইসরায়েলি লবি এটাকেই সবচেয়ে ভয় পায়
সে জন্যই তারা ওবামাকে দিয়ে শান্তির উদ্যোগ শুরু করিয়েছে যদিও তারা জানে এটা ব্যর্থ হতে বাধ্য
এভাবেই তারা ইসরায়েলকে অনন্ত ছাড় দিয়ে চলেছে আর ফিলিস্তিনিদের প্রতি মশকরা করে বলছে আশা ছেড়ো না
আসলে তারা বলতে চাইছে হোয়াইট হাউসে তোমাদের কোনো আশা নেই
কাউন্টারপাঞ্চ থেকে নেওয়া ইংরেজি থেকে অনূদিত
আলেকজান্ডার ককবার্ন মার্কিন সাময়িকী কাউন্টারপাঞ্চ-এর সম্পাদক
কম্পিউটার প্রোগ্রামিং
বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ প্রতিযোগিতায় বুয়েট
কম্পিউটার প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ত্রয়োদশতম অংশগ্রহণ নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা বিশেষ করে যখন সরকার ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় সংকল্পবদ্ধ
এই প্রতিযোগিতা দুটি ধাপে সম্পন্ন হয়
প্রথম ধাপে নানা আঞ্চলিক প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের দল অংশগ্রহণ করে থাকে
তারপর বিজয়ী দলগুলো নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় মস্তিষ্কের যুদ্ধ নামের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ
এশিয়ার ১৪-১৫টি আঞ্চলিক প্রতিযোগিতার একটি অনুষ্ঠিত হয় ঢাকায় এবং সেই সুবাদে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারে
এই প্রতিযোগিতার সুবাদেই বুয়েট ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের ছাত্ররা তাদের প্রোগ্রামিং-শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করার সুযোগ পেল অনেক নামীদামি বিশ্ববিদ্যালয়কে পেছনে ফেলে
বুয়েটের ছাত্ররা পৃথিবীর চার-পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষুদ্র তালিকায় ইতিমধ্যেই নাম লিখে ফেলেছে
শুধু তা-ই নয় প্রকৃতপক্ষে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে অংশগ্রহণে বুয়েটের দল ব্যর্থ হয়নি এ পর্যন্ত
এবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ দলে রয়েছে তানায়েম মো মুছা মুনতাসির মাশুক এবং তাসনীম ইমরান সানি
এদের মধ্যে তানায়েম ছিল গত বছর স্টকহোমে অংশগ্রহণ করা দলের সদস্য
তাসনীম ইমরান বুয়েটের পুরকৌশলের ছাত্র
বাংলাদেশ থেকে প্রথম যে তিনজন ছাত্র ২০০৫ সালে মেক্সিকোয় ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিয়াড ইন ইনফরমেটিকে অংশগ্রহণ করেছিল তাদের একজন
কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে কম্পিউটার বিভাগে ভর্তির সুযোগ পায়নি
সাংহাইতে এ বিষয়টি নিয়ে ন্যাশনাল তাইওয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ফুংয়ের সঙ্গে কথা হলো
তিনি বলেন অলিম্পিয়াডে যারা ভালো করে তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই ছেলেমেয়েরা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ভর্তি হওয়ার আমন্ত্রণ পায় আলাদা ভর্তিপরীক্ষা দিতে হয় না
অর্থাৎ কেউ যদি আন্তর্জাতিক পদার্থবিদ্যা অলিম্পিয়াডে ভালো করে তাহলে পদার্থবিদ্যায় তার ভর্তি হয় সরাসরি
সত্যিই তো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যারা বিভিন্ন বিষয়ে দেশের মর্যাদা বৃদ্ধি করছে তাদের তো এই সুযোগ দেওয়া যেতেই পারে
ফুদান বিশ্ববিদ্যালয়ের কোচ অধ্যাপক উ জানালেন ইনফরমেটিকস অলিম্পিয়াডে যারা ভালো করে তারা সরাসরি সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয় ফুদান বিশ্ববিদ্যালয়ও এ রকম ছাত্রদের সরাসরি ভর্তি করে থাকে এবং সেই ছাত্রদের দলই আমাদের দেশের এসিএম আঞ্চলিক প্রতিযোগিতায় এসে নিয়মিত বিজয়ী হয়
বাংলাদেশের ৪০ বছরের ইতিহাসে অলিম্পিয়াড কিংবা অলিম্পিক থেকে রৌপ্য পদক বিজয়ী হয়ে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিভাগে ভর্তি হতে পারেনি
দুর্ভাগ্য শুধু আবিরের নয় আমাদেরও
কম্পিউটার দক্ষতায় বিশ্বমানের মেধা থাকতেও আমরা তাকে বিভাগে পেলাম না
ব্যতিক্রম কিছু আমরা সহজে মেনে নিতে পারি না
ব্যতিক্রম না করেই বুয়েট এখনো দেশের ভেতরে তার অনন্য অবস্থান ধরে রাখতে পেরেছে তবে যেহেতু আঞ্চলিক অলিম্পিয়াডের ফলাফল আমরা কোনোভাবেই প্রভাবিত করতে পারব না বোর্ডের পরীক্ষার ফলাফলে এ ধরনের ব্যতিক্রম করলে ক্ষতির সম্ভাবনা খুব কম হতো এবং সাধারণ ভর্তি পরীক্ষায় যথাযথ বুৎপত্তি দেখাতে ব্যর্থ হলেও সংশ্লিষ্ট বিষয়ের দক্ষতা ও মেধার বলে এ ধরনের ছাত্র অনেক বেশি সুনাম নিয়ে আসতে পারত
যা হোক পুরকৌশলের ছাত্র সানিকে নিয়ে কথা হচ্ছিল
পুরকৌশলের ছাত্র হয়ে কিন্তু সে শুধু কম্পিউটার প্রোগ্রামিংই যে করে তা-ই নয় কম্পিউটারের ছাত্রদের পেছনে ফেলে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে অংশগ্রহণের গৌরব অর্জন করেছে
এর আগে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বেশ কয়েকজন ছাত্র অনুরূপ সাফল্য অর্জন করে
এবারের প্রতিযোগিতা চীনের উত্তর-পূর্ব এলাকার শহর হারবিনে
অসম্ভব শীত শূন্যের নিচে ২০-৩০ ডিগ্রি
তাই আইসিপিসির হোমপেজে নিয়মিতভাবে জানানো হচ্ছে আসার সঙ্গে সঙ্গেই শীতের হেভিওয়েট পোশাক দেওয়া হবে
হারবিন শহর আইস কিংবা স্লো স্ক্রাম্পচারের জন্য বিখ্যাত
বরফ দিয়ে সুন্দর বড় বড় ভবন কিংবা বড় বড় মূর্তি তৈরি করে শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা হয়
সারা বিশ্বের খুদে কম্পিউটার জাদুকরদের এটা দেখাতেই ফেব্রুয়ারির শুরুতে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন
আমরা জানুয়ারি মাসের ২৯ তারিখ রওনা হলাম
আবার গভ ল্যাবরেটরি স্কুলে বিভাগীয় গণিত অলিম্পিয়াড থাকায় সেখানেও একটু উপস্থিত হয়ে সবাইকে নিয়ে বিমানবন্দরে পৌঁছাতে ১২টা বেজে গেল
ইমিগ্রেশন পার হতে বেশ কিছুক্ষণ পর জানা গেল কুনমিং থেকে চায়না ইস্টার্নের ফ্লাইট এসে ছাড়তে ঘণ্টা তিনেক দেরি হবে
আমাদের মাথায় বজ্রপাত
কুনমিং থেকে সাংহাইয়ে আমাদের ফ্লাইট নয়টায় আর আমরা নাকি পৌঁছাবও কাছাকাছি সময়ে
তারপর বাংলাদেশের সবুজ পাসপোর্টকে কবুল করতে কমপক্ষে ৪০ মিনিট লাগবে
এর মধ্যে লাইনে দাঁড়ানো পেছনের লোকজনও ফাঁকা হয়ে যাবে
থাকবে শুধু বাংলাদেশের পাসপোর্টধারীরা
আমাদের নেতা-নেত্রীদের সুযোগ্য নেতৃত্বে আমাদের দেশের ভাবমূর্তি বিদেশ-বিভুঁইয়ে এতই খারাপ
যা হোক ঢাকায় বিমানবন্দরে বসে-হেঁটে সময় পার করছিলাম
একটি ঘটনা ভালো লাগছিল
